Bioprob Max - বায়োপ্রোব ম্যাক্স
বায়োপ্রোব ম্যাক্স (Bioprob Max) জলজ পরিবেশে জৈবিক প্রতিকার (Bioremediation) এবং রোগ নিয়ন্ত্রণে (Biocontrol) অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও জীবন্ত উপকারী জীবাণুর সংমিশ্রণ। এটি পানিতে দ্রবীভূত বিষাক্ত অ্যামোনিয়া গ্যাস, ক্ষতিকর কাদা বর্জ্য ও দূষণ দ্রুত দূর করে এবং চাষকৃত মাছ ও চিংড়ির দ্বিগুণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।
আমাদের মৎস্য রোগ চিকিৎসাবিদ্যা ডেস্ক ২৪/৭ খোলা থাকে। যেকোনো জরুরি ডোজিং তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন।
পণ্যের বিস্তারিত বর্ণনা
বায়োপ্রোব ম্যাক্স (Bioprob Max) জলজ পরিবেশে জৈবিক প্রতিকার (Bioremediation) এবং রোগ নিয়ন্ত্রণে (Biocontrol) অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও জীবন্ত উপকারী জীবাণুর সংমিশ্রণ। এটি পানিতে দ্রবীভূত বিষাক্ত অ্যামোনিয়া গ্যাস, ক্ষতিকর কাদা বর্জ্য ও দূষণ দ্রুত দূর করে এবং চাষকৃত মাছ ও চিংড়ির দ্বিগুণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।
মূল উপকারিতা ও সুবিধা সমূহ
- মাটি ও পানির সার্বিক পরিবেশের দ্রুত উন্নতি সাধন করে।
- ক্ষতিকর রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
- ক্ষতিকর জীবাণুর বৃদ্ধি প্রতিরোধে শক্তিশালী জৈবিক নিয়ন্ত্রণ এজেন্ট (Biocontrol) হিসেবে ভূমিকা রাখে।
- জলাশয়ে অতি প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান এবং ভিটামিন উৎপাদনে সাহায্য করে।
- খাদ্য রূপান্তর হার বা এফসিআর (FCR) উন্নত করে এবং মাছের দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি ঘটায়।
- পুকুর বা ঘেরে প্রাকৃতিক খাদ্য কণা ও প্রাথমিক উৎপাদনশীলতা বহুণ বাড়ায়।
- ক্ষতিকর জীবাণুর আক্রমণ এবং পানির তলদেশে এদের বেঁচে থাকা প্রতিরোধ করে।
- মাছ ও চিংড়ির শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেমকে সর্বোচ্চ শক্তিশালী করে তোলে।
- শরীরের প্রতিকূল অবস্থা বা মেটাবলিক চাপ দূর করে মাছের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।
- উপকারী অণুজীবগুলো চাষকৃত মাছ ও চিংড়ির অন্ত্রে প্রবেশ করে হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
প্রয়োগ মাত্রা ও পদ্ধতি এবং কার্যপ্রণালী
১-২ গ্রাম প্রতি শতকে (৩-৫ ফুট পানির গভীরতার জন্য)।
উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো পুকুরের পানিতে ও তলদেশে অত্যন্ত দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত পুষ্টি উপাদান খেয়ে সাবাড় করে ফেলে। ফলে ক্ষতিকর রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু বা প্যাথোজেনগুলো কোনো পুষ্টি না পেয়ে প্রাকৃতিকভাবেই খাদ্যবঞ্চিত হয়ে নিষ্ক্রিয় ও ধ্বংস হয়ে যায়।
সকাল অথবা শেষ বিকেল।
অ্যান্টিবায়োটিক অথবা জীবাণুনাশক ব্যবহারের ঠিক আগে বা পরে এটি কখনো ব্যবহার করবেন না।
সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে ঠাণ্ডা এবং শুষ্ক স্থানে রাখুন।
ফর্মুলেশন ডকুমেন্টস ও কোয়ালিটি কন্ট্রোল
সচরাচর জিজ্ঞাসা ও উত্তর
আমাদের বিশেষজ্ঞদের দ্বারা প্রস্তুতকৃত নির্দিষ্ট প্রশ্ন ও উত্তর জেনে আপনার রোগ উপশমে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।
সংশ্লিষ্ট মৎস্য চিকিৎসাসমূহ
Oxyadd - অক্সিএড
মাছ ও চিংড়ির সর্বোত্তম বৃদ্ধি ও উৎপাদনের জন্য পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন (Dissolved Oxygen, DO) সাধারণত ৫ মিগ্রা./লিটার বা তার বেশি থাকা উত্তম। দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা ৩ মিগ্রা./লিটারের নিচে নেমে গেলে মাছের ও চিংড়ির খাদ্য গ্রহণ কমে যায়, বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং তীব্র ঘাটতিতে মৃত্যু ঘটতে পারে। সূর্যের আলোর অনুপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ঘটতে পারে না, ফলে পানিতে তীব্র অক্সিজেনের অভাবে মাছ ভেসে ওঠে। এই পরিস্থিতিতে অক্সিএড ট্যাবলেট/গ্র্যানুলার অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে এবং দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
Gasonull - গ্যাসোনাল
গ্যাসোনাল (GASONULL) হলো ইউকা (Yucca) ও পিনাসি (Pinaceae) উদ্ভিদের নির্যাস, প্রোবায়োটিক এবং এনজাইমের সমন্বয়ে তৈরি একটি অত্যন্ত কার্যকর গ্যাস নিয়ন্ত্রণকারী পাউডার। এটি পুকুরের পানিতে সৃষ্ট ক্ষতিকর গ্যাস (অ্যামোনিয়া, মিথেন, হাইড্রোজেন সালফাইড ইত্যাদি) নিয়ন্ত্রণ করে পানির গুণগত মান উন্নত করে এবং উপকারী ব্যাসিলাস (Bacillus) ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। ফলে জৈব স্যাপোনিনের কার্যক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পায়। পুকুরে অ্যামোনিয়ার মাত্রা বেড়ে গেলে পানির রঙ কালচে বা তামাটে হয়ে যেতে পারে। গ্যাসোনাল (GASONULL) নিয়মিত ব্যবহারে এই সমস্যা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
Farmizyme - ফার্মিজাইম
মাছ ও চিংড়ি তাদের গ্রহণকৃত খাদ্য হজমের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পরিপাক এনজাইম উৎপন্ন করতে পারে না। অথচ খাদ্যে থাকা বিভিন্ন উপাদান যেমন শর্করা, প্রোটিন ও চর্বি হজমের জন্য ভিন্ন ভিন্ন ধরনের এনজাইমের প্রয়োজন হয়। Farmizyme-এ রয়েছে মাল্টি-এনজাইম ও গাট প্রোবায়োটিকের সমন্বিত ফর্মুলা, যা খাদ্যের সকল পুষ্টি উপাদান দ্রুত ভেঙে হজমযোগ্য করে, পুষ্টি শোষণ বৃদ্ধি করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। এই প্রোবায়োটিক ব্যবহারের ফলে তা অন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সাথে স্থান ও খাদ্যের জন্য প্রতিযোগিতা করে এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।